পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দী উপজেলা

The history of the Rajbari …

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস
বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা
বিভাগের অর্ন্তগত রাজবাড়ী একটি
অন্যতম জেলা । এ জেলার আয়তন ১২০৪
বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর
২৩০৩৫′-২৩০৫৫′ উত্তর অক্ষাংশ এবং
৮৯০০৯′-৮৯০৫৫′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এ
জেলার অবস্থান।
রাজবাড়ী জেলার উত্তরে পাবনা,
দক্ষিণে ফরিদপুর ও মাগুরা, পূর্বে
মানিকগঞ্জ, পশ্চিমে কুষ্টিয়া এবং
ঝিনাইদহ জেলা। নদী বিধৌত পদ্মার
পলি মাটি দিয়ে এই জেলার
অধিকাংশ ভূমি গঠিত। এ জেলার
প্রধান নদীগুলো হল, পদ্মা, গড়াই, হড়াই ও
চন্দনা। এ জেলার বার্ষিক সর্বোচ্চ গড়
তাপমাত্রা ৩৫.৮০ সেলসিয়াস এবং
সর্বনিম্ন ১২.৬০ সেলসিয়াস। বার্ষিক
বৃষ্টিপাত ২১০৫ মিমি। বাতাসের
আর্দ্রতা ৭৫%।
জেলার নামকরণের ইতিহাস
কোন এক রাজার বাড়ীকে কেন্দ্র
করেই এ জেলার নামকরন হয় রাজবাড়ী।
তবে কখন থেকে বা কোন রাজার
নামানুসারে এ জেলার নামকরন করা
হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক
কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। যতটুকু পাওয়া
গেছে তাতেও রয়েছে নানা সংশয়।
বাংলার রেল ভ্রমণ পুসত্মকের
(এল.এন.মিশ্র প্রকাশিত ইস্ট বেঙ্গল
রেলওয়ে ক্যালকাটা ১৯৩৫) ১০৯ পৃষ্ঠায়
রাজবাড়ী সম্বন্ধে যে তথ্য পাওয়া
যায় তাতে দেখা যায় ১৬৬৬
খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তাখান
ঢাকায় সুবাদার নিযুক্ত হয়ে আসেন। এই
সময় এই অঞ্চলে পর্তুগীজ জলদস্যুদের
দমনের জন্যে তিনি সংগ্রাম শাহ্কে
নাওয়ারা প্রধান করে পাঠান। তিনি
রাজবাড়ীর বানিবহতে স্থায়ীভাবে
বসবাস করতেন এবং লালগোলা নামক
স্থানে দুর্গ নির্মাণ করেন। এই
লালগোলা দুর্গই রাজবাড়ীর কয়েক
কিলোমিটার উত্তরে বর্তমান
লালগোলা গ্রাম। সংগ্রাম শাহ্ ও তার
পরিবার পরবর্তীতে বানিবহের
নাওয়ারা চৌধুরী হিসাবে পরিচিত
হয়ে ওঠেন। লোকমুখে প্রচলিত এবং
এল.এন.মিশ্র উক্ত পুস্তকে উল্লেখ করা
হয়েছে রাজা সংগ্রাম শাহের রাজ
কারবার বা রাজকাচারী ও প্রধান
নিয়ন্ত্রনকারী অফিস বর্তমান
রাজবাড়ী এলাকাকে কাগজে কলমে
রাজবাড়ী লিখতেন। ঐ পুস্তকের
শেষের পাতায় রেলওয়ে স্টেশন
হিসেবে রাজবাড়ী নামটি লিখিত
পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক আনন্দনাথ
রায় ফরিদপুরের ইতিহাস পুস্তকে
বানিবহের বর্ণনায় লিখেছেন
নাওয়ারা চৌধুরীগণ পাঁচথুপি থেকে
প্রায় ৩০০ বছর পূর্বে বানিবহ এসে বসবাস
শুরু করেন। বানিবহ তখন জনাকীর্ণ স্থান।
বিদ্যাবাগিশ পাড়া, আচার্য পাড়া,
ভট্টাচার্য পাড়া, শেনহাটিপাড়া,
বসুপাড়া, বেনেপাড়া, নুনেপাড়া
নিয়ে ছিল বানিবহ এলাকা।
নাওয়ারা চৌধুরীগণের বাড়ী
স্বদেশীগণের নিকট রাজবাড়ী নামে
অভিহিত ছিল।
এছাড়াও মতান্তরে এ জেলার এক
রাজা সূর্য কুমারের নামানুসারে
রাজবাড়ীর নামকরণ হয়। রাজা সূর্য
কুমারের পিতামহ প্রভুরাম নবাব
সিরাজ-উদ-দৌলার রাজকর্মচারী
থাকাকালীন কোন কারণে
ইংরেজদের বিরাগভাজন হলে
পলাশীর যুদ্ধের পর লক্ষীকোল এসে
আত্মগোপন করেন। পরে তার পুত্র
দ্বিগেন্দ্র প্রসাদ এ অঞ্চলে জমিদারী
গড়ে তোলেন। তারই পুত্র রাজা সুর্য
কুমার ১৮৮৫ সালে জনহিতকর কাজের
জন্য রাজা উপাধি প্রাপ্ত হন।
অন্যদিকে রাজবাড়ী রেল স্টেশন
স্থাপিত হয় ১৮৯০ সালে। ঠিক একই সময়ে
এ রেল স্টেশন এর নামকরণ করা হয়
রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন। বিভিন্ন
তথ্য অনুযায়ী জানা যায় রাজবাড়ী
রেল স্টেশন এর নামকরণ রাজা সূর্য
কুমারের নামানুসারে করার দাবি
তোলা হলে বানিবহের জমিদারগণ
প্রবল আপত্তি তোলেন। উল্লেখ্য
বর্তমানে যে স্থানটিতে রাজবাড়ী
রেল স্টেশন অবস্থিত উক্ত জমির
মালিকানা ছিল বানিবহের
জমিদারদের। তাদের প্রতিবাদের
কারনেই স্টেশনের নাম রাজবাড়ীই
থেকে যায়। এই সকল বিশ্লেষণ থেকে
ধারণা করা হয় রাজবাড়ী নামটি বহু
পূর্ব থেকেই প্রচলিত ছিল। এলাকার
নাওয়ারা প্রধান, জমিদার,
প্রতিপত্তিশালী ব্যক্তিগণ রাজা বলে
অভিহিত হতেন। তবে রাজা সূর্য কুমার ও
তার পূর্ব পুরুষগণের লক্ষীকোলের
বাড়ীটি লোকমুখে রাজার বাড়ী
বলে সমাধিক পরিচিত ছিল। এভাবেই
চলে আসে আজকের এই সমৃদ্ধ জেলাটির
নাম।
জেলা গঠনের প্রেক্ষাপটঃ
বর্তমান রাজবাড়ী জেলা বিভিন্ন সময়
বিভিন্ন জেলার অমত্মর্ভূক্ত ছিল। ১৭৬৫
সালে ইংরেজরা বাংলা, বিহার ও
উড়িষ্যা দেওয়ানী লাভের পর উত্তর
পশ্চিম ফরিদপুর (বর্তমান রাজবাড়ী
জেলার কিয়দংশ) অঞ্চল রাজশাহীর
জমিদারীর অমত্মর্ভূক্ত ছিল। নাটোর
রাজার জমিদারী চিহ্ন হিসেবে
রাজবাড়ী জেলার বেলগাছিতে
রয়েছে সানমঞ্চ, দোলমঞ্চ।
পরবর্তীতে এটি এক সময় যশোর জেলার
অংশ ছিল। ১৮০৭ সালে ঢাকা
জালালপুরের হেড কোয়ার্টার
ফরিদপুরে স্থানামত্মর করা হয় এবং
পাংশা থানা ফরিদপুরের অমত্মর্ভূক্ত
হয়। ১৮১১ সালে ফরিদপুর জেলা সৃষ্টি
হলে রাজবাড়ীকে এর অমত্মর্ভূক্ত করা
হয়। এছাড়াও রাজবাড়ী জেলার
বর্তমান উপজেলাগুলি অতীতে
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জেলার
অমত্মর্ভূক্ত ছিল। পাংশা থানা এক সময়
পাবনা জেলার অংশ ছিল। ১৮৫৯
সালে পাংশা ও বালিয়াকান্দি
নবগঠিত কুমারখালী মহকুমার অধীনে
নেয়া হয়। ১৮৭১ সালে গোয়ালন্দ
মহকুমা গঠিত হলে পাংশা ও
রাজবাড়ী এই নতুন মহকুমার সঙ্গে যুক্ত হয়
এবং রাজবাড়ীতে সদর দফতর স্থাপিত
হয়।
১৯৮৩ সালে সরকার প্রশাসনিক
বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রতিটি
থানাকে মান উন্নীত থানায়
রূপামত্মরিত করলে রাজবাড়ীকে মান
উন্নীত থানা ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৩
সালের ১৮ই জুলাই থেকে সরকার
অধ্যাদেশ জারী করে সকল মান উন্নীত
থানাকে উপজেলায় রূপামত্মরিত করার
ফলে রাজবাড়ী উপজেলা হয়। অবশেষে
১৯৮৪ সালের ১ মার্চ সকল মহকুমা জেলা
হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সে থেকে
রাজবাড়ী জেলায় রূপামত্মরিত হয়।
উপজেলা ও ইউনিয়ন সমুহঃ
রাজবাড়ী জেলায় ৫ টি উপজেলার
অধিনে সর্বমোট ৪২ টি ইউনিয়ন রয়েছে।
এছাড়াও রয়েছে ৪ টি থানা। এ
জেলায় উপজেলাগুলো হল, রাজবাড়ী
সদর, গোয়ালন্দ, পাংশা, কালুখালি ও
বালিয়াকান্দি।
এর মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলায়
রয়েছে ১৪ টি ইউনিয়রন যথাঃ
মিজানপুর, বরাট, পাঁচুরিয়া,
শহিদওহাবপুর, সুলতানপুর, রামকান্তপুর,
মূলঘর, খানগঞ্জ, খানখানাপুর, চন্দনী,
বানিবহ, দাদশী, বসন্তপুর ও আলীপুর
ইউনিয়ন।
গোয়ালন্দ উপজেলায় রয়েছে ৪ টি
ইউনিয়ন যথাঃ দৌলতদিয়া, দেবগ্রাম,
ছোটভাকলা ও উজানচর।
পাংশা উপজেলায় রয়েছে ১০ টি
ইউনিয়ন যথাঃ বাহাদুরপুর, হাবাসপুর,
যশাই, মাছপাড়া, বাবুপাড়া, মৌরাট,
কলিমহর, শরিষা, কসবামাজাইল ও
পাট্টা ইউনিয়ন।
কালুখালী উপজেলায় রয়েছে ৭ টি
ইউনিয়ন যথাঃ সাওরাইল,
বোয়ালিয়া, কালিকাপুর, মৃগী,
মাজবাড়ী, রতনদিয়া ও মদাপুর ইউনিয়ন।
বালিয়াকান্দি উপজেলায় রয়েছে ৭
টি ইউনিয়ন যথাঃ ইসলামপুর, নারুয়া,
নবাবপুর, বহরপুর, জংগল, জামালপুর ও
বালিয়াকান্দি।




এক নজরে পাংশা উপজেলা

সাধারণ তথ্য

 

জেলা

রাজবাড়ী

উপজেলা

পাংশা

সীমানা

উত্তরে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা, পূর্বে

কালুখালী উপজেলা, দক্ষিণে বালিয়াকান্দি উপজেলা এবং পশ্চিমে কুস্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলা।

জেলা সদর হতে দূরত্ব

২৫কি:মি:

আয়তন

২৫১.৩৭বর্গ কিলোমিটার

জনসংখ্যা

২,৪১,০৬৭  জন (প্রায়)

পুরুষ

১,১৯,৭০৯  জন (প্রায়)

মহিলা

১,২১,৩৫৮জন (প্রায়)

লোক সংখ্যার ঘনত্ব

৯৬৩.০৭(প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)

মোট ভোটার সংখ্যা

১,৫২,৪০১জন

পুরুষভোটার সংখ্যা

৭৬,১৬৯জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা

৭৬,২৪১জন

বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার

১.০৮.%

মোট পরিবার(খানা)

  ৫৬,৩১৩টি

নির্বাচনী এলাকা

  ২১০ রাজবাড়ী-২ (পাংশা)

গ্রাম

  ২১৩ টি

মৌজা

  ১৯৮টি

ইউনিয়ন

  ১০  টি

পৌরসভা

  ০১ টি

এতিমখানা

(বে-সরকারী)

  ৬টি

মসজিদ

  ২৬৩টি

মন্দির

  ৭২টি

নদ-নদী

  ৩টি (পদ্মা , চন্দনা, গড়াই নদী  )

হাওড়/বিল

  ২টি(সিরাজপুর হাওড়,কাজিয়াল গাং)

হাট-বাজার

  ১২টি

ব্যাংক শাখা

  ১৪টি (সোনালী, রূপালী, কৃষি,অগ্রনী,জনতা, পূবালী)

পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস

  ১টি

টেলিফোন এক্সচেঞ্জ

  ০১ টি

 

 

কৃষি সংক্রান্ত তথ্য

 

মোট জমির পরিমাণ

  ৬১,৮৫৩ একর

নীট ফসলী জমি

  ৪৪,৭০০ একর

মোট ফসলী জমি

  ৯৬,৫০০ একর

এক ফসলী জমি

  ৪,৩০০ একর

দুই ফসলী জমি

  ২৯,০০০ একর

তিন ফসলী জমি

  ১১,৪০০ একর

গভীর নলকূপ

  ৪৩টি

অ-গভীর নলকূপ

  ৪৫০০ টি

শক্তি চালিত পাম্প

  ২৪ টি

ব্লক সংখ্যা

  ২০টি

বাৎসরিক খাদ্য চাহিদা

  ৪৮৫০ মেঃ টন

নলকূপের সংখ্যা

  ২৯৫০ টি

 

শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য

 

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

  ৫৭টি

বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

  ৫৭টি

জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়

  ৬টি

উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা )

  ৩৪টি

উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা)

  ৪টি

দাখিল মাদ্রাসা

  ১২টি

আলিম মাদ্রাসা

  ৭টি

ফাজিল মাদ্রাসা

  ৬টি

কলেজ(সহপাঠ)

  ৯টি

কলেজ(বালিকা)

  ২টি

শিক্ষার হার

  ৪০.০১%
 

পুরুষ

৫৩.৫৯ %
 

মহিলা

৩৬.১৯ %

 

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

  ০১ টি

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

  ৪টি

বেডের সংখ্যা

  ৫০ টি

ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা

  ৩০টি

কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা

  ইউএইচসি -০১  ইউনিয়ন পর্যায়ে -০৪

ইউএইচএফপিও ১টি মোট= ০৬টি

সিনিয়র নার্স সংখ্যা

  ১৪জন। কর্মরত=১৪জন

 

ভূমি ও রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য

 

মৌজা

  ১৯৮টি

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

  ৯টি

পৌর ভূমি অফিস

  ০১ টি

মোট খাস জমি

  ৩২০৬.৭০একর

কৃষি

  ৪২২৪.৪৫৯৮একর

অকৃষি

  ৫৪২.০৬২৬একর

বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি

  ৬৭৯.২৫৬একর (কৃষি)

বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(দাবী)

  সাধারণ=৬,৬৬,৭০৩/-
সংস্থা = ৬,৪৪,৩৪৬/-

বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(আদায়)

  সাধারণ=১৯,৯০,৩০৬/-  ফেব্রুয়ারী/১২
সংস্থা = ৩,৭৪,৩০৭/-  ফেব্রুয়ারী/১২

 

যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্য

 

পাকা রাস্তা

  ২১৬.০০ কিঃমিঃ

অর্ধ পাকা রাস্তা

  ২০.০০ কিঃমিঃ

কাঁচা রাস্তা

  ৬৯৪.০০কিঃমিঃ

ব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যা

  ১৯১টি

নদীর সংখ্যা

  ৪টি

রেলপথ

  ১৫ কিলোমিটার

 

পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত তথ্য

 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

  ১টি

পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক

  ৯টি

এম.সি.এইচ. ইউনিট

  ০টি

সক্ষম দম্পতির সংখ্যা

  ৮৪,৯১৩জন

 

মৎস্য সংক্রান্ত তথ্য

 

পুকুরের সংখ্যা

  ৪৬৪১টি

মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সরকারী

  ১টি (মিনি হ্যাচারী)

মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বে-সরকারী

  ০টি

বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা

  ২০,১১৫মেঃ টন

বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন

  ১১,১৬০মেঃ টন

 

প্রাণি সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য

 

উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র

  ০১ টি

পশু ডাক্তারের সংখ্যা

  ২জন

উপ-কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

  ১টি

পয়েন্টের সংখ্যা

  ১৮টি

উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা

  ৪১৫টি
লেয়ার ৮০০ মুরগীর উর্ধ্বে· ১০-৪৯ টি মুরগী আছে, এরূপ খামার   ১২  টি

গবাদির পশুর খামার

  ৫৬২টি

 মুরগীর খামার

  ৩২৮টি

 

সমবায় সংক্রান্ত তথ্য

 

কেন্দ্রিয় সমবায় সমিতি লিঃ

  ১টি

ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ

  ১৪টি

বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ

  ৫৮টি

মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ

  ০৫টি

আশ্রয়ন/আবাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি

  ০২টি

কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ

  ১২৮টি

পুরুষ বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ

  ০৮টি

মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ

  ০৩টি

কৃষিসমবায় সমিতি লিঃ

  ২৩টি