Categories
News

যোগাযোগ:

Mohammad  Abdul  Malek

E-mail: abdulmalek1972p@gmail.com

Mob- 01875856924

Categories
News

প্রাথমিক নিয়োগে নারী কোটা বহাল: জুলাইয়ে বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিকে ৬০ শতাংশ নারী কোটা বহাল রেখেই জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে। তবে জুলাইয়ে ১০ থেকে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে বলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অতিরিক্ত মহাপরিচালক রমজান আলী ।

তিনি জানান, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নতুন নীতিমালা করার যে আলোচনা চলছে, এবারের নিয়োগে সেটি প্রযোজ্য হবে না। আগের নীতিমালার আলোকেই হবে এই নিয়োগ। অর্থাৎ ৬০ শতাংশ নারী কোটা এবং মেয়েদের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা এইচএসসি পাসই থাকছে।

আলী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নতুন নীতিমালাটি এখনও চূড়ান্ত নয়। এটি জনপ্রশাসনে যাবে। সেখান থেকে সচিব কমিটিতে যাবে। এরপর চূড়ান্ত হবে। এতে কিছু সময়তো লাগবেই। কারণ এটা বড় সিদ্ধান্তের বিষয়। ফলে নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ওইটা নাও পড়তে পারে।

Categories
News

বিকাশের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পাবে আরও ১৪ লাখ শিক্ষার্থী

মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার আরও ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি টিউশন ফির টাকা বিতরণের দায়িত্ব পেল বাংলাদেশের শীর্ষ মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারি প্রতিষ্ঠান বিকাশ। ঝরে পড়া ও বালবিবাহ ঠেকাতে সম্পূর্ণ রাজস্বখাত থেকে ১৮৪টি উপজেলার মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের এ টাকা দেয়া হয়। প্রতি ছয়মাস অন্তর একবার এ টাকা বিতরণ করা হয়। উপবৃত্তির সুবিধাভোগী নির্বাচনে আর্থিকভাবে অতি অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তানদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

এর আগে সফলভাবে বিকাশের মাধ্যমে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ৫৩ উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের পৌণে তিনলাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তির টাকা সরাসরি তাদের বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে তুলতে পেরেছে। দুই বছর যাবত ওই প্রকল্পের উপবৃত্তির টাকা বিকাশের মাধ্যমে বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হলো সরকারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতাধীন ১৮৪টি উপজেলার ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা বিতণের দায়িত্ব।

দুই দশকেরও বেশি সময় আগে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হয় উপবৃত্তি। শুরু থেকে এনালগ পদ্ধতিতে ব্যাংকের কর্মকর্তারা একটি নির্দিষ্ট্ দিনে একটি নির্দিষ্ট এলাকার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত করিয়ে টাকা বিতরণ করতেন। এতে কোনো কারণে ওইদিন কেউ অনুপস্থিত থাকলে তার টাকা মার যেত। আবার ভুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের নামের উপবৃত্তির কোটি কোটি টাকা উত্তোলন করা আত্মসাত করা হতো। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার মোবাইলে ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত তিন বছরের বেশি সময় ডাচবাংলা ব্যাংকের রকেট এই প্রকল্পের টাকা বিতরণের দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রকেটের সার্ভিস খুবই সমস্যাপূর্ণ এবং হাজার হাজার শিক্ষার্থী টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছে। আবার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডাচবাংলার এজেন্ট না থাকা, পিনকোড চুরি হয়ে একের টাকা অন্যে নিয়ে নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়াও প্রায় ৮৮ হাজার শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির ১২ কোটি টাকা শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ না করে তিন বছর যাবত লুকিয়ে রেখে সুদ খাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় রকেটের বিরুদ্ধে।

এমন প্রেক্ষাপটে সরকার নির্বিঘ্নে উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের দায়িত্ব যোগ্যতম প্রতিষ্ঠানকে দিতে সম্প্রতি উন্মুক্ত টেন্ডার আহ্বান করে। রাষ্ট্রায়াত্ত অগ্রণী ব্যাংকের সঙ্গে মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে বিকাশ যৌথভাবে টেন্ডারে অংশ নেয়। রাষ্ট্রায়াত্ত রুপালী ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে টেন্ডারে অংশ নেয় শিওরক্যাশ, এবং ডাচবাংলার বিকাশ। সর্বনিম্ন দরদাতা বিবেচিত হওয়া বিকাশকে এ উপবৃত্তির টাকা বিতরণের দায়িত্ব দেয়া হয়। এ লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২৯ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরাধীন “মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২য় পর্যায় প্রকল্পের” সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো: মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের পরিচালক শরীফ মোর্তজা মামুন, অগ্রণী ব্যাংকের এমডি এবং সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম, বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর ও চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মোঃ মনিরুল ইসলাম (অবঃ), অগ্রনী ব্যংকের প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (আইটি) সফিকুর রহমান সাদিক এবং সহকারি মহাব্যবস্থাপক মো: মোজাম্মেল হকসহ অধিদপ্তরের প্রায় বিশজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বিকাশের প্রধান নির্বাহী কামাল কাদীর বলেন, দেশজুড়ে বিকাশের প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার এজেন্ট পয়েন্ট রয়েছে- যা প্রতিটি বাড়ি থেকে প্রায় হাটাপথের দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত। বন্ধের দিনে এবং গভীর রাত পর্যন্ত খোলা থাকা এসব এজেন্ট পয়েন্ট থেকে উপবৃত্তি প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা যেকোন সময় টাকা ক্যাশ আউট করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিকাশের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ অনেক সুবিধাজনক, ঝামেলামুক্ত এবং ব্যয় সাশ্রয়ী। উপবৃত্তির সুবিধাভোগীদের টাকা তুলতে ব্যাংকের শাখায় যেতে হবে না। পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা গড়ে উঠবে।

অগ্রণী ব্যাংকের এমডি এবং সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন একটা সময় ছিল যখন আমাদের অনেকেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিরোধীতা করতাম কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। সারাদেশে বিকাশের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।  সেরা সার্ভিস।

Categories
News

প্রাথমিকে আরও ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ জুন মাসেই

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী জুনেই এ সংক্রান্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৪ হাজার ৮২০টি। এর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি। এসব শূন্য পদ পূরণে রাজস্ব খাতে নতুন করে ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ২০১৪ সালের স্থগিত নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ১ মে মাসে শেষ করা হবে। এরপর জুন মাসে নতুন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, চলমান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। নতুন করে আরও ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শূন্য পদ পূরণ করা হবে। নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জুনের শেষের দিকে প্রকাশ করা হবে। সম্প্রতি ডিপিই এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অধিদফতর সূত্র আরও জানায়, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় রাজস্ব খাতে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, অতিরিক্ত ক্লাসরুম তৈরি, প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুলগুলো অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হবে। এসব বিদ্যালয়ে শূন্য শিক্ষক পদ, প্রয়োজন অনুযায়ী সৃষ্ট পদ, প্রাক-প্রাথমিক স্তর মিলিয়ে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেড় লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

Categories
News

পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য

ফারসি শব্দ রোজার আরবি অর্থ হচ্ছে সওম, বহুবচনে সিয়াম। সওম বা সিয়ামের বাংলা অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে সওম হল আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশে নিয়তসহ সুবহে সাদিকের শুরু থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা।

২য় হিজরীর শাবান মাসে মদীনায় রোজা ফরজ সংক্রান্ত আয়াত নাজিল হয় “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো যেভাবে তা ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা সংযমী হও। (সূরা বাকারা, আয়াত-১৮৩)।

সূরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সেই মাসকে পায় সে যেন রোজা রাখে”।

পবিত্র রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসের কিতাবগুলোতে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এর ভেতর থেকে কিছু হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো-

প্রিয় নবীজি (সা.) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারী, মুসলিম)